ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার হিসেবে কেমন হবে?
ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার হিসেবে কেমন হবে?

  • Post author:
  • Post last modified:June 11, 2021
  • Reading time:1 mins read

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার হিসেবে কেমন হবে এই কথার উত্তরে আমি আপনাকে একটি কথাই বলতে চাই সেটি হচ্ছে আপনার যদি এই সেক্টরে আগ্রহ থাকে এবং এই সেক্টরে যে কাজগুলি রয়েছে এগুলি করতে ভালো লাগে বা ভাল লাগবে বলে মনে হয় তাহলে আপনি এই সেক্টরে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন​।

এখন এর ব্যাখ্যা দিলে অনেক লম্বা কিছু বলে দেয়া যায় কিন্তু আমি এখানে এতকিছু বলে বোঝানোর প্রয়োজন মনে করতেছি নাকেননা আমরা সকলেই জানি যে বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা এবং এর মার্কেট রেপুটেশন খুবই ভালো আর ভবিষ্যতেও এটি আরো বেশি ভালো হবে তাই নিশ্চিত কেননা দিনদিন সবকিছু ডিজিটালাইজড হয়ে যাচ্ছে এবং সবকিছু ইন্টারনেট-ভিত্তিক হয়ে যাচ্ছে তাই এই সেক্টরে মার্কেটিং করানো প্রত্যেকটা কোম্পানির জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে আর সামনেও থাকবে তাই আপনি যদি একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার হতে পারেন তাহলে আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার খুবই উজ্জ্বল বলে আমি মনে করি​।

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার এবং এর ভবিষ্যৎ:

আজকের আর্টিকেলটিতে আমি খুবই সংক্ষিপ্ত পরিসরে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব​। আসলে আপনি যখন ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করবেন অনলাইনে​। তখন মূলত আপনার নজরে অনেক কিছুই আসবে সে যাই হোক আমি যেহেতু মোটামুটি একটা দীর্ঘ সময় যাবত অনলাইনে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করছি তাই আমি আপনাকে এই ব্যাপারে খুব সুন্দর একটা ধারণা দিতে পারবো আশা করতেছি তাই আমার অনুরোধ হলো সম্পুর্ন পোস্টটিকে সুন্দরভাবে একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন এবং এখানে যেভাবে বলা হয়েছে ঠিক সেইভাবে এটি আপনার লাইফে এপ্লাই করতে থাকুন

আমরা একটা বিষয় খুব ভালোভাবেই জানি যে বর্তমান সময়টা হল প্রযুক্তিনির্ভর একটা  সময় এই সময় আপনি খুব বড় বা ভালো ধরনের যেকোনো কিছুই করে থাকেন না কেন আপনাকে অবশ্যই প্রযুক্তির সাহায্য কোনো-না-কোনোভাবে নিতেই হবে এটিকে আপনি কোনোভাবেই অ্যাভয়েড করতে পারবেন না

এ থেকে খুব সহজেই বলা যাচ্ছে যে, বর্তমানের যে মার্কেটিং সেক্টরটি রয়েছে তা সম্পূর্ণ এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক হয়ে পড়েছে তাই আপনি যদি এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গুলি ইউজ করে মার্কেটিংয়ের বিশেষ কিছু কলাকৌশল নিজে আয়ত্ত করতে পারেন এবং সেই দক্ষতা গুলোকে প্রাকটিক্যাল লাইফ-এ এপ্লাই করতে পারেন তাহলে এর থেকে খুব ভালো কিছু একটা করার সম্ভাবনা রয়েছে

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা অত্যন্ত জনপ্রিয় আর এই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই আপনি এই সেক্টরে আপনার ক্যারিয়ারের জার্নিটা নতুন করে শুরু করতে পারেন আশা করছি আপনি আপনার লাইফে অনেক দূর এগিয়ে যাবেন আজকের এই পুরো বিষয়টিকে এক্সপ্লাইন করার জন্যই মূলত আমি আছি আপনার সাথে

আমি মোঃ রাশেদ মিয়া (অনলাইনে মূলত মার্কেটার রাশেদ নামে পরিচিত) আজকে আমি আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার নিয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবো যেগুলো অ্যাপ্লাই করে আপনি খুব সহজেই আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ারে সফল হতে পারবেন তো চলুন শুরু করা যাক

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার সফল হতে হলে আপনাকে কোন কোন সেক্টরে দক্ষতা অর্জন করতে হবে?

মূলত অনলাইনে যতগুলি সেক্টর হয়েছে রয়েছে তার ভিতরে ডিজিটাল মার্কেটিং একটি অন্যতম সেক্টর এটি একটি বিস্তর শাখা এই শাখার ভিতরে রয়েছে অনেকগুলো প্রশাখা-

 যেমন,

  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
  • সোশ্যাল মিডিয়া অপটিমাইজেশন
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
  • মার্কেটিং স্ট্রাটেজি
  • সিপিএ মার্কেটিং
  • ইনফ্লুয়েন্সের মারকেটিং

এই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ভিতরে রয়েছে আরো বেশ কিছু উপশাখা-

 যেমন,

  • ফেইসবুক মারকেটিং
  • টুইটার মার্কেটিং
  • ইনস্টাগ্রম মার্কেটিং
  • লিংক ডিন মার্কেটিং
  • পিন্টারেস্ট মার্কেটিং  
  • ইউটিউব মার্কেটিং সহ আরো অনেক কিছু-

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন  বা এসইও এর মাঝে রয়েছে আরো বিপুল পরিমাণে উপশাখা এইভাবে অন্যান্য শাখা গুলির অনেকগুলো করে প্রশাখা রয়েছে আপনি যদি বিষয়গুলিকে এক নজরে দেখতে চান তাহলে এই লিঙ্কে ক্লিক করে দেখে আসুন

এখন কথা হচ্ছে আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিংটাকে আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই উপরোক্ত এই বিষয়গুলোর উপরে ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হবে

অন্যথায় আপনি হয়তো বা আপনার ক্যারিয়ারের কোন একটি পর্যায়ে গিয়ে আটকে যাবেন

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার কোন কোন বিষয় দিয়ে শুরু করা যায়?

ধরে নিলাম আপনার উপরোক্ত দক্ষতা গুলি আয়ত্ত করা শেষ এখন কথা হচ্ছে আপনি এই দক্ষতা গুলিকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে আপনার ক্যারিয়ার বিল্ড আপ করতে পারেন কিভাবে আপনি ইনকাম করতে পারেন আপনি যখন এই উপরোক্ত এই দক্ষতা গুলিকে আয়ত্ত করতে পারবেন তারপর থেকে নিচে দেওয়া কয়েকটি মেথড এর মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবেন এবং খুব ভালো পরিমাণে একটা আর্নিং করতে পারবেন

এখন আমরা প্রথমে জানব ডিজিটাল মার্কেটিং দক্ষতাটাকে আয়ত্ত করতে পারলে দিনশেষে আপনি কি কি উপায় অবলম্বন করে ইনকাম করতে পারবেন আসলে এখানে ইনকামের কথাটা এজন্যই বলছি- আমরা আর যাই কিছু করি না কেন যে কাজেই করি না কেন মূলত তার পিছনে আমাদের উদ্দেশ্যটা থাকে আর্নিং করা তাই আমাদের প্ল্যানটাকেও আগে থেকেই সেভাবে সাজাতে হবে

এখানে ডিজিটাল মার্কেটিং দক্ষতাটাকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করতে পারবেন এরকম বেশ কয়েকটি মেথড নিয়ে আলোচনা করা হলো এর ভিতর আপনার কাছে যেই বিষয়টিকে বেশি পছন্দনীয় হয় আপনি সেটার উপরে আপনার ক্যারিয়ারের জার্নিটা শুরু করে দিতে পারেন

  •  আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং
  •  নিজস্ব অনলাইন বিজনেস
  •  অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
  •  ব্লগিং ওই উইথ গুগল এডসেন্স
  •  ডিরেক্টলি কোম্পানিতে চাকরি
  •  মার্কেটিং এজেন্সি

এখন উপরোক্ত এই প্রত্যেকটি বিষয়ের উপরে আপনার সুবিধার জন্য একটু করে বর্ণনা করে দেয়া হলো-

আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং:

আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি কাজ যেটি মূলত আপনি আপনার ঘরে বসেই করতে পারবেন তবে এটি করার জন্য আপনাকে অবশ্যই ভালো একটা ইন্টারনেট কানেকশন এবং একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার প্রয়োজন হবে

বর্তমানে আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং করে বাংলাদেশসহ বিশ্বের আরো নানা দেশের ফ্রিল্যান্সাররা খুব ভালো পরিমাণের একটা ইনকাম করে নিচ্ছে আপনিও চাইলে এই সেক্টরে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন

ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং এর কাজ করার জন্য অনলাইনে অনেক রকমের সাইট রয়েছে এর ভিতর জনপ্রিয় কিছু সাইটের নাম হল:- ফাইবার, আপওয়ার্ক, freelancer.com, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি ইত্যাদি

এই সকল সাইটে কাজ করতে হলে আপনাকে প্রথমেই সকল সাইটে গিয়ে জয়েন হতে হবে তারপরে আপনার প্রোফাইলটিকে সুন্দরভাবে সাজাতে হবে এ বিষয়ে আপনি চাইলে এই ভিডিওটি দেখে আসতে পারেন এখানে দেখানো হয়েছে আপনি কিভাবে এই সাইটে গিয়ে একাউন্ট খুলবেন এবং কাজ করবেন

এই সকল সাইট কে বলা হয় মার্কেটপ্লেস আর এই সকল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য আলাদাভাবে একটা সেক্টর বরাদ্দ থাকে সুতরাং আপনি চাইলে খুব সহজেই এই সকল সাইটের মাধ্যমে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন এবং খুব ভালো পরিমাণে একটা ইনকাম জেনারেট করতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক আরও টিপস পেতে এই পোস্টটি পড়ে আসতে পারেন

নিজস্ব অনলাইন বিজনেস:

আপনি আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজস্ব অনলাইন বিজনেস শুরু করতে পারেন বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ এই সেক্টরটিকে তাদের ক্যারিয়ার হিসেবে নিয়েছে এবং এর থেকে খুব ভালো পরিমাণে একটা ইনকাম জেনারেট করতেছে

যেহেতু বর্তমান সময়ে অনলাইনে কেনাকাটা প্রতিনিয়তই জনপ্রিয়তার শীর্ষে পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে তাই আপনি যদি এই সেক্টরে আপনার ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করেন তাহলে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি হবে কিনা কাস্টমার পাবেন কিনা এই সকল বিষয় নিয়ে আপনাকে একদমই ভাবতে হবে না কেননা ধীরে ধীরে মানুষ অনলাইন কেনাকাটাতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে এই সুবিধাটি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ হাজার হাজার মানুষ অনলাইনেই তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতেছে

অনলাইনে ব্যবসা শুরু করলে আপনার তুলনামূলক অনেক কম টাকা খরচ হবে কেননা এজন্য আপনাকে ফিজিক্যাল কোন স্টোর নিতে হবে না আপনি চাইলে আপনার বাসায় বসেই আপনার ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারবেন এ নিয়ে আরও বিস্তারিত থাকবে আমাদের অন্য একটি আর্টিকেলে

আপনি যদি অনলাইনে ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে ফেইসবুক, নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম গুলিকে ব্যবহার করে আপনার ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন

বর্তমান সময়ে শুধুমাত্র ফেসবুক ব্যবহার করে বাংলাদেশি হাজার হাজার মানুষ ব্যবসা করতেছে আপনিও এই সেক্টরে আপনার ক্যারিয়ারের জার্নি শুরু করতে পারেন তবে এই ব্যাপারে আপনাকে আরও ঘাটাঘাটি করতে হবে আরো দক্ষতা অর্জন করতে হবে আর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে আর এই সমস্ত কিছু আপনি পেয়ে যাবেন আমাদের এই ওয়েবসাইটটিতে ওয়েবসাইট এ বিষয়ের উপরে আরো অনেকগুলো ব্লগ পোস্ট করা আছে আপনি চাইলে মেনু  সেকশন থেকে সেগুলো পড়ে আসতে পারেন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ক্যারিয়ার:

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি প্রশাখা এটি মূলত আপনার একটি দক্ষতা আপনি যখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখবেন তখন আসলে বুঝতে পারবেন এটি কিভাবে কাজ করেতারপরও আমি এখানে সংক্ষেপে আপনাকে একটু বোঝানোর চেষ্টা করতেছি

মনে করুন একটা কোম্পানির প্রচুর পরিমাণে গাড়ি রয়েছে এখন ওই কোম্পানিটি বলতেছে যে বা যারা তাদের এই গাড়ি গুলিকে বিক্রি করে দিবে বিনিময় ওই কোম্পানিটি তাদেরকে একটা কমিশন দেবে

মনে করুন ওই কোম্পানিটির একটি গাড়ির মূল্য একশত টাকা এবং কেউ যদি এটিকে বিক্রি করে দেয় সে ক্ষেত্রে কোম্পানিটি তাকে 20 টাকা কমিশন দেবে এবং বাকি 80 টাকা কোম্পানি দিবে নিবে

এটিকে বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা কমিশন মার্কেটিং আপনি এইভাবে আফিলিয়েশন করে ভালো পরিমাণে একটা ইনকাম করতে পারেন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য অ্যামাজন, ইবে, ওয়ালমার্ট, আলিবাবা, আলীএক্সপ্রেস, সী.জে অ্যাফিলিয়েটসহ আরো অনেক ধরনের মার্কেটপ্লেস রয়েছে এই সকল সাইটে আপনি গিয়ে জয়েন হয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সেক্টরে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন তবে এ বিষয়ে আরও অভিজ্ঞ হওয়ার জন্য আপনি আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অন্যান্য ব্লগ গুলি পরে নিতে পারেন

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার উইথ ব্লগিং:

ব্লগিং মানে হচ্ছে লেখালেখি করা আপনি অনলাইনে একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন হাজার হাজার ইভেন লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট রয়েছে যারা আপনাকে নানা ধরনের কনটেন্ট প্রোভাইড করে

মানে আমি বুঝাতে চাচ্ছি, আপনি যখন কোন কিছু জানার জন্য গুগোল এ গিয়ে সে বিষয়টি লিখে সার্চ করেন বিনিময় গুগল আপনাকে কয়েক লক্ষ ওয়েবসাইটকে রেফার করে দেয় দেন আপনি ঐসকল ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার কাঙ্খিত তথ্যটি জেনে নিতে পারেনএ যে যে ওয়েব সাইটগুলি আপনাকে ইনফর্মেশন গুলি দিল এটি মূলত আপনি করবেন অন্যদের জন্য

যেন কেউ কিছু জানতে হলে গুগলে সার্চ করলে আপনার ওয়েবসাইটের ইনফর্মেশন গুগলে দেখতে পায় এবং সেখান থেকে আলটিমেটলি আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসতে থাকে

এখন কথা হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসলে আপনার কি লাভ? দেখুন আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন তারপর আপনি চাইলে কয়েকটি উপায় আপনার ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে

গুগল এডসেন্স এর কাজ হল তারা আপনার ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কোম্পানির অ্যাডভার্টাইজমেন্ট শো করবে এর ফলে যখনই কোন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসবে তারা ঐ সকল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দেখবে আর এই অ্যাড দেখানোর বিনিময় গুগল আপনাকে একটা হ্যান্ডসাম পেমেন্ট করবে

তারপরে আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটটি যে বিষয়ের উপরে তৈরি করেছেন ওই বিষয়ে রিলেটেড বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট আপনার ঐ সকল ভিজিটর দের বিভিন্ন পন্থায় অফার করতে পারেনবিনিময় যখন তারা ঐসকল অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট ক্রয় করবে এর একটা আফিলিয়েট কমিশন আপনি পাবেন

এছাড়াও আপনি চাইলে বিভিন্ন কোম্পানির প্রমোশন করতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইটে

এই যে যে আপনি লেখালেখি করার মাধ্যমে গুগোল সহ অন্যান্য আরো বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ভিজিটরদের আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেন এটিকে আমরা বলি ব্লগিং বা লেখালেখি করা এখন আপনি চাইলে ব্লগিং সেক্টরে আপনার  ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ারের জার্নিটা শুরু করতে পারেন

ডিরেক্টলি কোন কোম্পানিতে চাকরি:

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং খুবই জনপ্রিয় একটি মাধ্যম কম্পানির প্রমোশন, সাস্টেনিবিলিটি, অনলাইন ভিসিবিলিটি, অনলাইন রেপুটেশন, কোম্পানির ব্রান্ডিং ইত্যাদি করতে ডিজিটাল মার্কেটিং দারুণভাবে সাহায্য করে

এজন্যই প্রত্যেকটা কোম্পানির জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং একটা ম্যান্ডেটরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন প্রত্যেকটা কোম্পানির মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে একজন করে ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট প্রয়োজন হচ্ছে

আর এই কারনেই অনলাইন জব সাইটগুলিতে খেয়াল করলে দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন কোম্পানি প্রতিনিয়ত ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে নিয়োগ দেওয়ার জন্য জব পোস্ট করতেছে 

তাই আপনি চাইলে আপনার আপনার দক্ষতাটিকে কাজে লাগিয়ে ডিরেক্টলি এই সকল কোম্পানিতে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ারের জার্নিটা শুরু করতে পারেন

যেহেতু ডিজিটাল মার্কেটিং এমন একটি কাজ যেটি আমরা বলি রিমোট কন্ট্রোলিং ওয়ার্ক যার মানে হচ্ছে  আপনি চাইলে এই কাজটি অফিসে না গিয়েও করতে পারবেন তাই বাংলাদেশি কোম্পানিসহ বিশ্বের আরো নানা ধরনের কোম্পানিতে আপনার কাজ করার  বা চাকরি করার সুযোগ রয়েছে

ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি:

উপরে বর্ণিত বিষয়গুলিতে আপনি যখন নলেজ গেদার করবেন এবং দক্ষ হয়ে উঠবেন তখন আপনি চাইলে একটি মার্কেটিং এজেন্সি শুরু করতে পারেন যেটি হবে ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এজেন্সি

মূলত এই এজেন্সির মাধ্যমে আপনি আপনার সার্ভিস গুলিকে লোকাল এবং ইন্টার্নেশনাল কোম্পানির কাছে অফার করবেন বর্তমানে অনেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি শুরু করেছে এবং খুব ভালো পরিমাণে একটা আর্নিং জেনারেট করতেছে আপনিও চাইলে মার্কেটিং এজেন্সির মাধ্যমে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন

তবে এক্ষেত্রে আপনাকে একটা বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে- যে আপনার সার্ভিস গুলি যখন কোন কোম্পানিকে প্রোভাইড করবেন তখন অবশ্যই তারা যেন আপনার সার্ভিসে খুশি থাকে এবং আপনাকে যেন ভালো একটি রেটিং দেন কেননা তাদের এই সকল ফিডব্যাকের উপরে নির্ভর করে আপনি পরবর্তিতে আপনার এজেন্সিকে ভালো একটি পর্যায়ে নিতে সক্ষম হবেন

এক্সট্রা টিপস:

আপনি চাইলে ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে অন্যদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে, গাইড করে, কনসালটেশন করে আয় করতে পারেন তবে এটা অবশ্যই মনে রাখবেন এই পর্যায়ে আসতে হলে আপনাকে কয়েক বছরের কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে

ডিজিটাল মার্কেটিং এর যতগুলি পার্ট আছে তার প্রত্যেকটিতে আপনাকে খুব ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং প্র্যাকটিক্যালি কাজের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে হবে তাহলে আপনি চাইলে প্রশিক্ষণ, গাইড বা কনসালটেশন এর মাধ্যমে আর্নিং করতে পারবেন

Summary
ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার হিসেবে কেমন হবে?
Article Name
ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার হিসেবে কেমন হবে?
Description
ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার হিসেবে কেমন হবে এই কথার উত্তরে আমি আপনাকে একটি কথাই বলতে চাই সেটি হচ্ছে আপনার যদি এই সেক্টরে আগ্রহ থাকে এবং এই সেক্টরে যে কাজগুলি রয়েছে এগুলি করতে ভালো লাগে বা ভাল লাগবে বলে মনে হয় তাহলে আপনি এই সেক্টরে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন​।
Author

Leave a Reply